নৈতিকতা মানুষের চরিত্রকে সুন্দর করে এবং একটি আদর্শ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সততা, দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা ও ন্যায়বোধ তৈরি না হলে প্রকৃত সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
মাওলানা রুহুল আমীন বিভিন্ন আলোচনায় নৈতিক শিক্ষা ও উত্তম চরিত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে আসছেন। তাঁর বক্তব্যে ব্যক্তি জীবনের আত্মশুদ্ধি, পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক দায়িত্ব এবং মানুষের অধিকার রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
তিনি সমাজের প্রতিটি স্তরে নৈতিক শিক্ষার প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করলে একটি সুন্দর, মানবিক ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।
